Sunday, December 11, 2022
কাতার quips: Croatia vs Brazil
Friday, December 9, 2022
কাতার quips: Morocco vs Spain
Wednesday, December 7, 2022
কাতার quips: Brazil vs South Korea
Tuesday, December 6, 2022
কাতার quips: Croatia vs Japan
Saturday, December 3, 2022
কাতার quips: Brazil vs Cameroon
ক্যামেরুন গোল করেছে, গোল আটকেছে, তাই জিতেছে! ব্রাজিল গোল করেনি, আটকাতেও পারেনি, তাই হেরেছে! ব্যাস, এই হলো total summary! তবে গোল যে একটাই খেলো, এটাই অনেক! এডারসন না কয়েকটা আটকালে ব্যাপারটা আরো খারাপ হতো। ফলাফলটা অবাক করে দেওয়ার মতো তেমন কিছু নয় অবশ্য। এটা হওয়ারই ছিল, দেখার ছিল কবে নাগাদ হয়! এই ব্রাজিল team নাকি বিশ্বকাপ জিতবে.... তাহলেই হয়েছে! এরকম কিছু ঘটলে না দেখা যায় এদের সমর্থকেরাই চমকে উল্টে গেছে শকের চোটে! মানছি, আগের দুটো ম্যাচের তৈরী প্লেয়াররা অধিকাংশই খেলেনি, কিন্তু তা বলে এত সুযোগ নষ্ট হবে? বিপক্ষের পা থেকে বলের দখল নিচ্ছে তাড়াতাড়ি, নিজেদের মধ্যে স্বাভাবিক বোঝাপড়ায় দারুন সব মুভমেণ্ট তৈরি করছে, বিপক্ষের পেনাল্টি সীমানার বক্সে ঢুকে পড়ছে অতর্কিতে। কিন্তু ব্যস, তারপর কি যে হচ্ছে কে জানে, ওই পর্যন্ত গিয়ে যেন কিরকম তারা কুম্ভমেলায় হারিয়ে যাচ্ছে। এক মার্টিনেল্লি বাদে কাউকে গোলে বল রাখতে দেখলাম না। শুধু ওর জন্যই খারাপ লাগছিল, প্রচুর চেষ্টা করেছিল কিন্তু প্রতিবার বিফল হলো। Unfortunate, but hopefully he will have his day sometime in the future! বাকিরা তো শুধু ছড়ানোর প্রতিযোগিতা করছিল। ব্রুনো গিমেরেশের কথাই ধরা যাক না হয়। তার অবস্থা হলো রথের মেলায় গিয়ে রথটাই দেখতে না পাওয়ার মতো। ম্যাচের দিনে তাকে বোধহয় বল সমেত খালি গোলপোস্টের সামনে ছেড়ে দিলেও গোল করতে অক্ষম হতো। এডারসন সেই তুলনায় গোলটা ঠিকঠাক রক্ষা করছিল। যে গোলটা খেয়েছে সেটা তার ভুলের তুলনায় বিপক্ষের কৃতিত্ব বেশি দাবী করবে। গোলপার্থক্য বাড়তে পারতো তার দারুন কিছু সেভ না থাকলে।
অপরদিকে ক্যামেরুন ফাটিয়ে দিলো পুরো। যেদিন শুনেছি সেনেগাল এবার আফ্রিকাসেরা হয়েছে আর মিশরের মতো দল উঠতে পারেনি, কিরকম তখন থেকেই মনে হয়েছিল যে আফ্রিকার দলগুলো এবার যথেষ্ট বেগ দেবে। ব্রাজিল বোধহয় ধরতে পারেনি ব্যাপারটা। আমি ভেবেছিলাম ক্যামেরুন অপেক্ষাকৃত দুর্বল দল। ভুল ভেবেছিলাম। পুরো খেলাটা তো অসাধারন খেললোই, বরং ঠিক করে দেখলে বলতেই হবে যে দ্বিতীয় হাফে ব্রাজিলকে সম্পুর্ণ ব্যাকফূটে রাখলো। চকিত আক্রমণ থেকে আবুবকরের হেড হয়ে যে গোলটা হলো, তা যেকোনো গোলকীপারকে বোকা বানিয়ে দেবে। এ তো গেলো গোল করার কথা। অপর প্রান্তে সিংহের মতো নিজের দেশের গোলটা প্রাণ দিয়ে আটকালেন যিনি সারা খেলাটা জুড়ে, সেই এপাসিকে সেলাম। বারবার দুরন্ত সেভ করতে করতে ও গোলের ভিতরে মাছি না গলতে দেওয়ার মতো পাহারা দিয়ে তিনি ব্রাজিলের মনোবল ভেঙে দিচ্ছিলেন। খেলাটাতে অসাধারন কিছু মুহুর্ত আনার জন্য পুরো ক্যামেরুন দলটাকে কুর্নিশ জানাতেই হবে। They played just awesome football.
সৌন্দর্য ও গতি মিশিয়ে যে খেলাটা উপহার দিলো দলদুটো, তার জন্য ধন্যবাদ জানাই তাদের। তবে তৃতীয় আরেকজনের কথা এবার তবে না বললেই নয় যিনি খেলাটাকে অন্য মাত্রা দিচ্ছিলেন, ম্যাচের দায়িত্বে থাকা ইসমাইল এলফ্যাত। খেলোয়াড়দের পিঠ চাপড়াতে চাপড়াতে, ঘাড়ে মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়েও হাসিমুখে যে লাল কার্ড (regulation penalty) দেখানো যায় খেলার আমেজে পরিবর্তন না এনে, তা এই খেলাটা না দেখলে হয়তো কোনোদিন বুঝতে পারতাম না। যেমন বড় মাপের দলের খেলা, তেমন দক্ষতাই দেখাল যেন তাদের খেলার পরিচালক!
Wednesday, November 30, 2022
কাতার quips: Brazil vs Switzerland
Sunday, November 27, 2022
কাতার quips: England vs USA
ইংল্যাণ্ড দলে হ্যারি কেন খেলে। কিন্তু বিশ্বকাপে সেদিন মার্কিনি ছোকরাদের সামনে তাদের হাতে হারিকেন হয়ে গেছিল আরেকটু হলে! গোলগুলোই যা হলো না তাদের বিপক্ষে। প্রথম কয়েকটা মিনিট লড়াইটা হয়েছিল সমানে সমানে। তারপর যে কাণ্ডটা মার্কিনিরা করল তাতে সাউথগেটের লজ্জায় পড়ার কথা। ইংল্যাণ্ড শুনেছি হেভিওয়েট দল হিসেবে খেলছে। তো ফেদারওয়েটের কাছে এই অবস্থা হলে মুশকিল আছে পরে। জনতা না তাদের কাছে জানতে চায় হ্যারি থাকতেও দলটা কেন খারাপ না খেলেও ছড়ালো।
But for that the credit goes to the young USA team. Their energy was really fascinating. পরের দিকে তারা চাপে রেখে দিয়েছিল বিপক্ষকে আক্রমণ-প্রতিআক্রমণের ঝড়ে। সত্যি বলতে কি, ইংল্যাণ্ডকে কার্যত দিশেহারা করে দিচ্ছিল দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকে। Hope to see these guys keep up their spirit for future, cheers and best of luck!
Saturday, November 26, 2022
কাতার quips: Serbia vs Brazil
আহা, কি খেলা দেখলাম!
খেলা না বলে নৃত্যনাট্য বলা উচিৎ!
এ যেন কোনো অসামান্য ব্যালে, ballet on grass..... Brazilian ballet!
ব্রাজিলের খেলা মানেই এক অন্য অনুভুতি। মনে হয় যেন নিজের দল খেলছে। দুরুদুরু বুকে খেলাটা দেখতে হয়! যদি goal খেয়ে যায় তারা! সেই মাঝরাতের সাত গোলের দুঃস্বপ্ন তো আছেই, তার উপর খেলা দেখে মনে হয় এরা কি মানুষ না অন্য কিছু! অন্য কোনো দল নিজেদের বক্সে বিপক্ষের উপস্থিতিতে বল clear না করে চালাচালি করে বলে তো মনে হয় না। বিশ্বকাপ ফুটবল খেলছে না বল নিয়ে সকালে বন্ধুদের সাথে চ্যাংড়ামো করতে বেরিয়েছে বোঝা যায় না। এরা মনে হয় একটুও ভাবে না সমর্থকদের মনে কি চলছে।
খেলোয়াড়দের ভয়ডর কম থাকতেই পারে, কিন্তু আমরা? আমাদের মতো সাধারন মানুষদের পক্ষে কি এত tension নেওয়া যায়? Pressure বেড়ে যায়, নার্ভ fail হয়ে যায়, heart fail হয়ে যাওয়াও বিচিত্র নয়, চাই কি চাপে নিম্নচাপ পর্যন্ত পেয়ে যেতে পারে! কিন্তু ব্রাজিল দলকে কথাটা বোঝাবে কে? তারা তো দেখি বল পেলেই সাম্বার তালে নাচতে থাকে আর বিপক্ষের দলকেও যেন নাচাতে থাকে। খেলার শুরুতে যেই সেণ্টার হয়ে বল ব্রাজিল পাবে, তাকে ব্যাকপাসের ঠেলায় পিছিয়ে নিজেদের গোলকিপার পর্যন্ত নিয়ে যাবে। এই অবাক কাণ্ড দেখে যখন সমর্থকরা এদের মুণ্ডপাত আর নিজেদের শরীরে অস্বস্তি বোধ করবে আর বিপক্ষ মনে করবে এ কি অদ্ভুত কাণ্ড ঘটছে - বল তো দেখছি গোলের কাছে প্রায় চলেই এসেছে, এবার হালকা টোকা মারা যা বাকি, ঠিক তখনই শুরু হবে আসল মজা। নাচের ছন্দ বদলে গিয়ে বল বিপক্ষের নাকের ডগা দিয়ে তাদের গোলের কাছে ভাসতে ভাসতে চলে যাবে। তারপর কি যে হবে কেউ জানে না অবশ্য! রাফিনিয়ার মতো অতি ভদ্রলোক কেউ থাকলে বলটা গোলকিপারকেই হয়তো দিয়ে দেবে ফেরত। তবে বলটা যদি কোনোরকমে পড়ে যায় রিচার্লিসনের মতো শিল্পীর সামনে, তাহলে তাকে দেখা যেতেই পারে গোলের জালে জড়িয়ে যেতে।
তবে প্রতিবার যে এরকম হবেই তার কোনো স্থিরতা নেই! কখনো নিজেরাই গোল খেয়ে ফেলবে। তবে খেলাটা উপভোগ করবে নিজেদের মতো করে। তবে সমস্যাটা হচ্ছে খেলোয়াড়দের উচ্চতা নিয়ে যেটা সার্বিয়ার সাথে খেলাটায় চোখে পড়ল। উড়ে আসা বলের দখল নিতে যে উচ্চতার লাফ দরকার হলো, হেডের দিক দিয়ে চাপের হতে পারে।
তবে নেইমার নাটকটা কম করলে খুশি হবো। প্রতিবার নেইমারকে দেখি যেই বিপক্ষের বক্সে ঢুকতে পারবে, পড়ে যাওয়ার চেষ্টা করবে যে করে হোক। এবার দেখলাম যে ব্যাপারটা মাঠ জুড়ে করছে। এটা রাখাল বালকের বাঘ পড়েছে মতো না হয়ে যায়। অবশ্য স্বীকার করতেই হবে যে নেই নেই করেও নেইমার জুনিয়রকে সুযোগ পেলে আঘাত মারতে বাকি রাখেনা বিপক্ষের লোকজন। বোধহয় নামেতেই যে 'মার' শব্দটা রয়েছে, তার কারণে ঘটে আবার নামের মধ্যে 'নেই' থাকাটা প্রেরণা দেয় foul না হলেও পড়ে যাওয়ার!
Friday, November 25, 2022
কাতার quips: Uruguay vs South Korea
Monday, November 21, 2022
কাতার quips: Qatar vs Ecuador
বিশ্বের ক্রীড়াপ্রেমীর দল এই মুহুর্তে তাকিয়ে আছে কাতারের দিকে। আমার তো মনে হয় ক্রীড়াপ্রেমী মাত্রে ফুটবলপ্রেমী হতেই হবে (অনেকটা যেন alkali হলেই base হতে হবের মতো!)! কেন? কে জানে, maybe because football is indeed the beautiful game! যাইহোক, পৃথিবীর সবার চোখ যখন কাতারের দিকে, কাতারের গোলরক্ষকের নজর কোন দিকে ছিল কে জানে। কথাটা বলতে হচ্ছে কারণ ভদ্রলোক বিশ্বকাপের প্রথম খেলার প্রথম হাফে বলের গতিপথ সম্বন্ধে কোনোরকমের ভাবনা ছাড়াই যে দাপাদাপিটা করলেন পেনাল্টি বক্সের মধ্যে, তাতে আরো কয়েকটা গোল হলেও অবাক হওয়ার মতো কিছু ঘটতো না। অভ্যেসটা বদলে ফেলা দরকার, না হলে গোল রক্ষণ তো হবেই না, ভক্ষণ বেশি হয়ে বদহজম হয়ে যাবে।
অন্যদিকে ইকুয়েডর লাতিন আমেরিকার জাদু হালকা করে বুলিয়ে দিল। তিনটে গোল করল, প্রথমটা অফসাইড হয়ে বাতিল হলো বটে আইন অনুযায়ী, কিন্তু ভলি ও হেডের সমন্বয়ে তৈরি গতিময় মুহুর্তটা সেরা আমার কাছে। ভ্যালেন্সিয়ার করা গোলদুটি ইকুয়েডরকে খেলাটা জিতিয়ে দিলো কিন্তু তাদের জাতটা বোধহয় বল নিয়ে ইন্টারসেপশনগুলো চেনালো। তবে কাতার বেশ সহজ প্রতিপক্ষ। সেনেগাল ও নেদারল্যান্ডস পুরো অন্য জিনিস। Hope Ecuador matches their zeal equally well.
কাতারের সমর্থক যারা পুরোটা থাকলো, দেখলাম হাততালি দিয়ে ও গলা ফাটিয়ে দলের পাশে থাকলো। এরকম সমর্থক কিন্তু পাওয়াটা ভার। Hope the Qatar team comes back in style. Viva la football
Sunday, October 16, 2022
Murder by the Sea: হত্যা আর পুরী!
বাঙালী চিত্রপরিচালকদের মধ্যে অঞ্জন দত্তের পরিচালিত ছায়াছবিগুলিকে অসাধারন কেউ বলবে না বোধহয়। তবে সাধারন বলার পরেও তার মধ্যে এমন কিছু ব্যাপার থাকে যেগুলো আমার চোখে ব্যক্তিগতভাবে আকর্ষণীয় লাগে। তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে স্থান নির্বাচন। উত্তরবঙ্গের পাহাড় ও কলকাতার গলির মধ্যে সীমাবদ্ধ থেকে শুধুমাত্র মানুষজন আর তাদের আবেগ ও অনুভূতিকে প্রাধান্য দিয়েও যে ছায়াছবি নির্মাণ করা সম্ভব, বোধহয় খুব বেশি পরিচালক ভাবতেও পারেন না। গল্পের স্থানগুলোর ভীষনভাবে বাঙালী পরিবেশ আরও বেশি আকর্ষন করে ও খুব অন্তরঙ্গ করে দেয় ঘটনাগুলোর সাথে। এতদিন তাই কলকাতা ও উত্তরবঙ্গের মানুষজনের সহজাত ও মাঝেমধ্যে অতিমাত্রায় অমার্জিত বাঙালীত্বের স্বাদ দিব্যি লাগছিল। সমুদ্রসৈকতের স্বাদটাও তার সাথে যোগ করে এবার যুক্ত হলো পুরী।
সঠিকভাবে দেখলে পুরীকে ঊড়িষ্যার শহর বলা উচিৎ, কিন্তু সমুদ্রের ধারে বঙ্গোপসাগরের এই পাড়টি ভীষনভাবে বাঙালীদের আপনার। জায়গাটি ঘিরে রহস্যের জাল বোনার জন্য পরিচালককে ধন্যবাদ। রহস্যের শুরুটাও সমুদ্রের পাড়ে এক গুলিবিদ্ধ লাশ থেকে। জলেতে ভিজে থাকা মৃত ব্যক্তিটিকে সাগর সৈকতের বালির মধ্যে আচমকা আবিষ্কার করেন স্নায়বিক রোগে পর্যুদস্ত কিন্তু রহস্য রোমাঞ্চ কাহিনীর এক জনপ্রিয় লেখিকা। আশপাশের কিছু ঘটনা ও চরিত্র লেখিকাকে আরও সন্দিহান করে তোলে। হত্যার কারনটা জানতে তিনি হয়ে ওঠেন বদ্ধপরিকর। মনে হয়, এতদিন তিনি যা কল্পনা করে লিখতেন, ঠিক যেন সেরকম কাহিনীর কোনো জায়গায় তিনি ঢুকে পড়েছেন। স্বাভাবিকভাবেই তিনি হয় পড়েন কৌতুহলী। তার মধ্যে যোগ হয় অতীতের কিছু ফেলে আসা ঘটনার রেশ। নিজের অজান্তেই তিনি জড়িয়ে পড়েন অন্ধকার এক রহস্যের পরিবেশে। অতীত ও বর্তমান এক হয়ে তৈরি হয় এক জটিল সমস্যা যা অপরিচিতকে যেমন আপন করে তোলে, চেনা মানুষের লুকোনো কিছু অজানা ঘটনা বেরিয়ে আসে। আচমকা আড়াল থেকে আসে হামলা। এতটা হয়ে ঠিকই ছিল। অনন্যা চ্যাটার্জীর অভিনয়, সুপ্রভাত দাসের পার্শ্বচরিত্রে সাবলীল উপস্থিতি, অঞ্জন দত্তের কাহিনী রহস্যের জালটা গুছিয়ে বুনেছিল। কিন্তু বাদ সাধল সংলাপের আধিক্য এবং এক প্রসঙ্গ বারবার অবতরণ করার প্রবনতা যে অভ্যেসটা পরিচালক বোধহয় কিছুতেই ছাড়তে চাইছেন না। এই জায়গাটা যদি একটু খেয়াল রাখা যায়, পরবর্তী পরিবেশনা অবশ্যই অনেক বেশি রোমাঞ্চকর হবে।
পুরোটা দেখে তবে একটা কথাই বলব যে সিরিজটির বড় প্রাপ্তি হচ্ছে পুরী। অঞ্জন দত্তের ভিন্নমাত্রার ভাবনায় ও প্রভাতেন্দু মণ্ডলের চিত্রগ্রহণে রাতের পুরী, সমুদ্রের দিক থেকে শহরের ড্রোন শট, এক অদেখা সৌন্দর্য উপহার দিয়েছে। নীল দত্তের পরিচালনায় আবহ সঙ্গীত আরেকটি বড় প্রাপ্তি। এই ব্যাপারটায় অঞ্জন দত্তের পরিচালনা হলে আমার কাছে বরাবরের আকর্ষন থাকে। তাই সিরিজটি দেখুন। তবে রহস্যের জট থেকে আবহের রোমাঞ্চ নিশ্চিতভাবে বেশি মজা দেবে।