Showing posts with label humour. Show all posts
Showing posts with label humour. Show all posts

Monday, March 31, 2025

Deceptive Dupahiya!


The only thing that might go against the series is if the viewers had already watched Panchayat seasons 1 and 2!

The populace that inhabits the sprightly rural India, with her simple charms and inherent ills, is portrayed yet again in a drama that unfolds the merry ride of life.

In the village of Dhadakpur, apparently famous for being the only crime-free village in Bihar, a sudden theft shakes the balance. A bike, bought as a dowry by Banwari Jha, for the marriage of his daughter, Roshni, gets stolen just eight days prior to the scheduled wedding! This not only puts the marriage at stake, but a lot of other problems crops up as well! The pride of the village being crime-free for 24 years, is threatened as do the promise of the grant of fresh water, for holding the record for just another year. Roshni's dream of settling in the city, far away from the coarsely interfering rustic ambience, is checked as does his father's wish of becoming the permanent principal of the local school, a promise that the wedding grants!

Village politics dutifully comes to play with the scheming opposition trying to expose the crime against the head, seeking to hush the theft for the sake of the record and the people! Added tot this is the lazy but smart inspector of police with a personal grievance against Banwari and the aspiring reporter, seeking for a scoop to apply for a position of a journalist, who add further hurdles to face!

So, all seems to depend on the local kleptomaniac and Roshni's reel-obsessed brother to find a solution and attempt at a replacement.

With twists, prickly and hilarious, the plot becomes increasingly enjoyable as the events unfold and characters are revealed. The simplicity of the rural province is treated with humility while the inherent woes and pains are laced with humour that gives the series a flavour that appeals. With a message, not too subtle against the social evil of dowry and the irrational stigma against the dark-complexioned, the series serves as a stark reminder of who we actually are and what we need to be!

Directed very ably as guided by Sonam Nair, all the performers acted just perfectly and none can be said to be better than the other. A display of classic acting, all who portrayed the characters, even those with a wee bit of screen presence, all marked their presence with superb professionalism! Created and scripted by Avinash Dwivedi, Chirag Garg, Salona Bains Joshi and Subh Shivdasani, the series is highly recommended for both old and young!

Monday, June 28, 2021

পাপ.....কার?

কালিমালিপ্ত ইতিহাসের কিছু অন্ধকার পাতা নিয়ে গল্পের শুরু। চৌধুরীদের বাড়িতে দিনগুলো হওয়ার কথা ছিল আনন্দের। চারিদিকে উৎসবের মেজাজ লোকজনের মধ্যে। শারদ প্রভাতের স্নিগ্ধ পরিবেশে মায়ের আগমন হয়েছে। বাড়ির বড় ও মেজ ছেলেদের পুরো পরিবার বিদেশ থেকে আসছে প্রতিবারের মতো। বাকি ছেলেমেয়েরা কলকাতা থেকে আসবে। এতদিনকার পুরনো পুজো সম্প্রচার করতে টিভি চ্যানেল থেকে একটি দল এসে থাকছে। প্রতিবেশীদের আসা-যাওয়াও তার সাথে চলছে। মানে সব মিলিয়ে এক জমজমাট ব্যাপার বাড়িতে।

কিন্তু তখনই ঘটল এক অঘটন। বাড়ির বহুদিনকার ঠাকুরমশাই হলেন খুন। মুখের মধ্যে পাওয়া গেল এক চিরকুট, তাতে লেখা,  ‘সূচিপত্র’। এক অমঙ্গলের আশঙ্কা দানা বেধে উঠল চৌধুরীদের বাড়িতে। এরমধ্যে সেখানে উপস্থিত এক অনাহুত অতিথি। পুরনো আশ্রিতা, পরে বিতাড়িতা,  তারপর হিন্দি চলচ্চিত্র জগতের নর্তকী, পার্বণী ওরফে রুবিনা। সে হঠাৎ ফিরে এলো কি জন্যে? সে জানায় তার কাছে কি একটা সম্পত্তি আছে চৌধুরী পরিবারের। কিন্তু সে বাড়ির বেশিরভাগ সদস্যই তাকে বিশ্বাস করে না। কেউ বিচলিত হয়ে পড়ে তো কেউ ভীত, আবার কেউ বিরক্ত। স্পষ্টতই চক্ষুশূল এই মেয়েটিকে কিন্তু বাড়িছাড়া করতে পারে না কেউ কারণ নিয়ম অনুযায়ী চৌধুরীদের বাড়িতে দুর্গাপুজোয় কেউ এসে পড়লে তাকে থাকতে দিতে হবে। এদিকে ঠাকুরমশাইয়ের খুনের তদন্তের দায়িত্বপ্রাপ্ত দারোগা মনোজিত হালদার হানা দেয় চৌধুরীদের বাড়িতে। এর মধ্যেই ঘটে যায় দ্বিতীয় খুন। বাড়ির চতুর্থ সন্তান, স্কিৎসোফ্রেনিয়ার রুগি, ছোট ছেলে, ছোটনকে মৃত  অবস্থায় পাওয়া যায় বাড়ির পিছনের পুকুড়পাড়ে। আবার মুখে কাগজ। তবে এবার লেখাটা অন্য। মনোজিত হালদারের কথায় কেউ যেন খুনের উপন্যাস লিখছে। বাড়ির সদস্যদের গ্রামের মধ্যেই নজরবন্দী করে পুলিশ। কিন্তু খুনগুলো করল কে? কার এই প্রতিহিংসা? কেন?

জবাব পেতে দেখে নিতে হবে পাপ। টানটান উত্তেজনায় ভরা ধারাবাহিকটি দেখার জন্য হইচই খুলতে হবে। কিছু ঘটনার গণ্ডগোল চোখে পড়লেও মোটের উপর ধারাবাহিকটি চলে যাবে। দুর্গাপুজোটা বাদ দিলে বোধহয় সুবিধে হত কারণ বাড়িতে অপঘাত ঘটে গেলে কি করে পুজো চালানোর মানসিকতাটা থাকে, আন্দাজ করা বেশ মুশকিলের। এরকম ছোটোখাটো ত্রুটি দর্শক যদি মার্জনা করতে পারে তাহলে ধারাবাহিকটি খারাপ লাগবে না। ভীষনভাবে প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ধারাবাহিকটিতে মনোজিত দারোগার চরিত্রে রাহুল ব্যানার্জী অনবদ্য। নিঃসন্দেহে ধারাবাহিকটির সেরা অভিনেতার স্থানটি দখল করবেন। রহস্যে ঘেরা দমবন্ধ পরিবেশে রাহুলের প্রবেশ দর্শকদের যেন খানিকটা স্বস্তি দেয়। নরমে গরমে কখনও সে মজার, কখনও নির্মম। অতীত ঘটনার দৃশ্যে কিশোরচরিত্রগুলিতে যারা অভিনয় করেছে, সবাই চরিত্রগুলির বিশেষত্ব ফুটিয়ে তুলতে সবদিক দিয়ে সফল। মানসিক রুগি, সহজে বিচলিত হয়ে ওঠা ছোটনের চরিত্রে সাহেব ভট্টাচার্য ত্রুটিহীন। অনুপম হাড়ি, জয়দীপ মুখার্জীর পরিচালনায় গতিময় এই সিরিজটি পরের দিকে একটু বেশি তাড়াহুড়ো করলেও কাহিনী মূল বিষয় থেকে সরে যায়নি কখনও। সিরিজটি ২০১৯ সালে শুরু করলেও সমাপ্ত হলো ২০২১ সালে। অপেক্ষাটা কিন্তু একটু বেশি হয়ে গেল! তবে প্রত্যাশাটা সেই তুলনায় খুব বাড়িয়ে না রাখাটাই বাঞ্ছনীয়। অতীত, বর্তমানের মধ্যে আলোকচিত্রের তারতম্য, অন্দরমহল, বাইরের দৃশ্যপটের চিত্রগ্রহণের ভারসাম্য রাখার কাজে প্রসেনজিৎ চৌধুরীর অবদান স্বীকার করতেই হবে। প্রসেনজিৎবাবু যেমন পুরনো দিনের স্মৃতি দেখাতে সাদাকালো দৃশ্যের অনাবশ্যক রীতি না মেনেও দৃশ্যের কাল বোঝাতে সফল তেমনি আলোর দক্ষ ব্যবহার করেছেন রহস্যে ঘেরা কিছু পরিবেশ তৈরী করতে। রোমাঞ্চকর, বাহুল্যবর্জিত, গতিময় এই সিরিজটি সেরা না হলেও সমসাময়িক, সমগোত্রীয় ধারাবাহিকগুলোর তুলনায় খানিকটা আলাদা।

Wednesday, April 16, 2014

IPL has started today

আজ কলকাতা টিমে প্রথম এগারোয় একমাত্র বাঙালি বিদেশ থেকে আনা। তবে মণীশ পাণ্ডে ব্যাপক খেলছে।  ক্যালিসও বুড়ো হাড়ে ভেল্কি দেখাচ্ছে। গম্ভীর বাজেভাবে ঝোলাল শুরুতে। বোঝা যাচ্ছে কলকাতা নির্ভর করে আছে অকলকাতার উপর!

Thursday, April 5, 2012

সিনিয়র কারে কয়!

ইস্টার্ন বাইপাস দিয়ে বাসে করে আসছি, ঝড় উঠেছে হঠাৎ করে। গুমোট গরমের মধ্যে বেশ ভালোই লাগছিল কিন্তু বিপত্তি বাধাল ধুলো। আমি দাঁড়িয়েছিলাম পিছন দিকে। তড়িঘড়ি সবাই জানলা বন্ধ করতে ব্যস্ত হতেই সামনে থেকে শুনতে পেলাম সব হাঁহাঁ করে উঠছে। কি হয়েছে? না ড্রাইভার জানলা বন্ধ করতে বারণ করছে। সব জানলা বন্ধ করলে হাওয়ার ঝাপটায় বাস উল্টে যাবে। প্রথমে অবশ্য ব্যাপারটা অনেকে বুঝতে পারেনি। ভীড়ের মধ্যে বক্তব্যটা একটু গুলিয়ে গেছিল। কেউ কেউ ভাবছিল, জানলা বন্ধ করলে ড্রাইভারের বুঝি গরম লাগবে। সেইজন্য বন্ধ করতে বারণ করছে! যাই হো্ক জানলা তো খোলা হল কিন্তু এবার শুরু হ'ল বৃষ্টি। জানলাবাসি অনেক যাত্রীই বাধ্য হয়ে সিট ছেড়ে উঠে দাঁড়াল। এতে সুবিধে হ'ল আমার। প্যান্ট ভিজে যাওয়ার তোয়াক্কা না ক'রে একটা সিনিয়র সিটিজেন সিট বাগিয়ে বসলাম। সত্যিকারের সিনিয়র যিনি ওখানে বসে ছিলেন তিনি উঠে যাওয়ার পর জায়গাটা খালিই যাচ্ছিল। পাশের সিটের জুনিয়র ছেলেটি আদৌ জানলার পাশে যেতে উৎসাহী তো ছিলই না বরং আমি সত্যিই ওখানে বসব কিনা একবার যাচাই পর্যন্ত করে নিল। তার সন্দেহের নিরসন ঘটিয়ে বসে পরার বেশ খানিক্ষণ পরেই বুঝতে পারলাম যে আমি সত্যি সত্যিই এবার সিনিয়র হয়ে গেছি। ঘটনাটা হ'ল পাশের ছেলেটি তো কানে handsfree গুঁজে দিয়েছে, খুবই আনন্দের কথা কিন্তু যন্ত্রনার কথা হ'ল ওই হেডপিসটি থেকে একটা জোরালো নীল আলোর ঝিকিমিকি বের হচ্ছিল যেটা পাশ থেকে উপভোগ করা বেশ কঠিন। বিরক্তি এবং কৌতুহল নিয়ে ঘাড় ঘুরিয়ে ব্যাপারটা ভাল করে বোঝার চেষ্টা করতেই আরও একটা মজার ঘটনা দেখলাম। এইসব ঝিকিমিকির প্রতি প্রগাঢ় উদাসীনতায় এবং গানবাজনার আবেশে চোখ বন্ধ করে ছেলেটি নীরবে এক মুখনৃত্য (অভিধানের বাইরে এর মানেটা শুধু আন্দাজে বুঝলেই চলবে) অনুষ্ঠিত ক'রে চলেছে। বোধকরি গানের তালে তালেই হবে, থুতনির উপরিভাগ সামনে-পিছনে এমন সবচ্ছন্দভাবে আসা-যাওয়া করছে যে আমার খানিক্ষণের আগে পাওয়া বিরক্তি চলে গিয়ে এক তার বদলে এই বিচিত্র মিশ্রকলার কুশলীকে নিরিক্ষন করে দুরন্ত সময় কেটে গেল। কিন্তু মাটি ক'রল ছেলেটির একটি ফোনকল। ঝিকিমিকিটি বন্ধ হ'ল না কিন্তু নাচটি বন্ধ হওয়ার দরুন আমার আগ্রহ চলে গেল। কিন্তু খানিক্ষণের মধ্যেই আর একটি ঘটনায় বুঝলাম আমি তো বটেই, বাসটিও বেশ সিনিয়র হয়ে গেছে। একে তো উল্টে যাওয়ার দুশ্চিন্তায় আমি টানটান হয়েই ছিলাম, একটা ঝড়াং শব্দে প্রায় সিট থেকে লাফিয়ে উঠলাম। সামনে তাকিয়ে দেখি এক বিরল দৃশ্য, বাসের ঘণ্টা উপড়ে চলে এসেছে এক যাত্রীর হাতে। কন্ডাক্টর ঘণ্টার দড়ি ধরে টান মারতেই এই বহুদিনের অত্যাচারিত যন্ত্রটি আর সহ্য করতে না পেরে স্থানত্যাগ করেছে। কিন্তু যতই হোক কলকাতার ড্রাইভার বলে কথা, ঘণ্টাবিহীন বাসকে ম্যানেজ করে গন্তব্যে তো ঠিক ঠিক আনল!