Showing posts with label Writwik Chakrabarti. Show all posts
Showing posts with label Writwik Chakrabarti. Show all posts

Friday, September 22, 2023

কলকাতার রহস্যের মাঝে মিঃ কলকেতা

ভেবেছিলাম দারুন কিছু একটা ব্যাপার হবে নিশ্চয়। কলকাতার অলিগলিতে লুকিয়ে থাকা রহস্যের হাতছানি থাকবে। ঋত্বিক আছে তো, ঠিক জমিয়ে দেবে! কিন্তু কোথায় কি! জমলো না তো পুরোটা! গল্পটা (সৌগত বাসু) দারুন, যেন কলকাতার ন্যাশনাল ট্রেজার, সম্পাদনা (রবিরঞ্জন মৈত্র) ঝরঝরে ও মজাদার সুরেতে ভরা গান, ধ্বনির পরিপাটি মিশ্রণে (শুভদীপ গুহ, আনিস আহমেদ, অভি, সৃজন দেব) পরিবেশিত রহস্যের আবহ!
কিন্তু ওই যে, ন্যাশনাল ট্রেজার ভাবলাম বলেই বোধহয় গোলমালটা পাকালাম। কলকাতার কোন নির্দিষ্ট গুপ্ত জায়গায় লুকিয়ে রাখা মসলিনের সন্ধান পাওয়াটা তো চাট্টিখানি কথা নয়! ইতিহাসটা ঠিক করে বোঝানো দরকার। কাহিনীটা এইখানেই কিরকম খাপছাড়া হয়ে গেছে! রহস্যটা রোমাঞ্চ জাগাতে পারে নি। তার উপর তুখোড় তিনজন অভিনেতা (ঋত্বিক চক্রবর্তী, দেবেশ রায়চৌধুরী, কৌশিক সেন) থাকা সত্ত্বেও তাদের ঠিক করে ব্যবহার করা হয়নি আমার মতে। গতিটাও কিন্তু বেশ অগোছালো লাগলো। রহস্যের মধ্যে আটকে গিয়ে পরিচালক (সুরজিৎ চট্টোপাধ্যায়) নিজেই যেন নিজেকে হারিয়ে ফেলেছেন মাঝপথে। রহস্যটা সাধারন হলেও শুধুমাত্র সপরিবারে দেখার মতো করে বানানোর জন্য পরিচালককে ধন্যবাদ জানাই। অনুরোধ একটাই সিরিজটা সম্বন্ধে, আবার ফিরে আসার যে ইঙ্গিতটা পেলাম এবার, এই সিজনের খামতিগুলো যদি ভবিষ্যতে শুধরে নেওয়া যায়, বিষয়বস্তু অনুযায়ী, এই সিরিজ, আমার মতে, ক্রমান্বয়ে দর্শক সংখ্যা বাড়ানোর ক্ষমতা রাখে!

Wednesday, July 12, 2023

গোরা 2: জমে গেল too!

গোরাতে কিন্তু no গোলমাল! মানে গলদ আছে, তবে তা নিয়ে চাপ না নিলেই তো হোলো! এই বাজারে এমন পুরোদস্তুর অদ্ভুত কিন্তু প্রায় পুরোপুরি জমাটি সিরিজ তো বেশি দেখতে পাওয়া যায় না কোথাও! এক বিদঘুটে রকমের ভুলো ব্যক্তি, যে পারলে নিজের নামটাও ভুলে যায়, সে কিনা serial killer ধরার specialist? তার উপর আবার সাংঘাতিক বদমেজাজ। তার উপর আছে গানের বাতিক। যদিও সেই গানের তেজ stengun মনে পড়িয়ে দেবে! কিন্তু কি আর করবেন বলুন, লোকটা তো এইসবের মধ্যেও গুছিয়ে গোয়েন্দাগিরি করছে! তাই এই চমকে দেওয়া private defective মানুষটাকে দেখা must! লোকটা আপনাকে ঠিক টেনে আনবে অদ্ভুত কিছু রহস্যের মাঝে। শুরুতে মাথাটা বেশ করে গুলিয়ে দিলেও রহস্যের জট অবশেষে ঠিক যুক্তি দেখিয়ে খুলে দেবে।
গোলমাল অবশ্য এবার শুধুমাত্র এক রহস্যেতেই সীমাবদ্ধ নেই। গুরুতর আরেক গোলমাল গোরা নিজেই এবার বাধিয়েছে। তড়িঘড়ি গোরা চেয়েছে বিয়ে করে ফেলতে! তো পাত্রীও যে হাতের কাছে নেই তা নয়! কাছাকাছির মধ্যেই তো একজন আছে। গোরার বাড়িতে তার মায়ের চোখের ছানি কাটানোর পর রাতদিন থেকে যাওয়া আয়াটি তো সম্ভাব্য পাত্রীদের মধ্যে অন্যতমা! একহাতে গোরার মাকে সেবাযত্ন করতে করতে যে গোরাকেও টাইট দিতে পারে, তাকে কি করে গোরার থেকে কোনো অংশে কম বলব?
আবার গোরার যে নতুন মক্কেলটি, তাকেও প্রার্থী হিসেবে ভাবাই যায়! তো গোরা কি করবে? বিয়ে না রহস্যভেদ! তবে গোরা যা খুশি করুক, আপনি কিন্তু দেখে ফেলুন এমন তালে তাল মেলানো সাবলীল অভিনয়ের এক অসামান্য সিরিজ। সত্যি বলছি, সিরিজটা দেখতে দেখতে মনে হতেই পারে, কাহিনী, প্লট, এসবের কি দরকার, যেখানে অভিনয়টাই আসল! কি ঋত্বিক চক্রবর্তী, কি সুহোত্র মুখোপাধ্যায়, কাকে ছেড়ে যে কাকে দেখব! অনবদ্য এই দুজনের তালে তাল মিলিয়ে আছে মানালি মনীষা দে, মৃদু অথচ দরকারমতো হালকা রসিকতা সরবরাহ করতে দক্ষ অভিজিত গুহ, চাপা কান্নার সাথে মাপমতো হাসি নিয়ে উষসী রায়ের ছোটো কিন্তু মজার মাঝেও লক্ষে অবিচল থাকা অনমনীয় চরিত্র।
তবে সিরিজটা দেখে যে এত আনন্দ পেলাম তার মূল কারণ বোধহয় আরো গভীরে। রহস্যের মোদ্দা ব্যাপারটা বালকসুলভ হলেও ও পরের দিকে গতি খানিকটা থমকালেও, সাহানা দত্তের মুচমুচে স্ক্রিপ্ট ও রবিরঞ্জন মৈত্রের ঝোড়ো সম্পাদনা মাতিয়ে দিয়েছে। জয়দীপ মুখার্জ্জীর পরিচালিত সিরিজটিতে তাই রহস্যের চাপটা না নিয়ে উপভোগ করতে পারলে প্রাণবন্ত অভিনয় দেখার সহজাত রেশটা মনকে খানিকক্ষণের জন্য হলেও চাপমুক্ত করে রাখবে।

Wednesday, May 24, 2023

সাবাশ ফেলুদা: রহস্যটা গড়বড়ে!

অরিন্দম শীল যখন ব্যোমকেশের মতো শান্তশিষ্ট রহস্যভেদীকে দিয়েও গুণ্ডা ঠেঙিয়েছিলেন, গোয়েন্দা পুলিশ শবরকে আরো স্বাভাবিকভাবে গুণ্ডাদের পিছনে ছুটিয়েছিলেন, তখন ফেলুদার মতো প্রাত্যহিক শরীরচর্চা করা কাউকে পেলে তিনি যে প্রবেশের দৃশ্য থেকেই দৌড় করাবেন, তাতে নতুন করে কিছু বলার নেই। তবে মুশকিল হচ্ছে, মগজাস্ত্রের কারবারীদের পরিচয় দৃশ্যটা যদি মিলখা সিং জাতীয় হয়, তাহলে মাথা থেকে রহস্যের আমেজটা ওই উড়ন্ত শিখের গতিতেই উড়ে যায়! তাই পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় ফেলুদার চরিত্রে ঠিক যে জমাতে পারলেন না, বোধহয় তার প্রধান কারণ পরিচালক ফেলুদাকে দৌড়বীর এরকুল পোয়ারো করতে চেয়েছেন বলে। আবার অন্যদিকে ঋত্বিক চক্রবর্তীও কি কৃত্রিম কিছু দৃশ্যে! যদিও ফেলুদার গল্পগুলো আমার পড়া থাকার দরুন চরিত্রদের চমকগুলো মোটামুটি জানাই থাকে, তবুও বলতে বাধ্য হচ্ছি যে আমার খুব প্রিয় অভিনেতাদের তালিকায় থাকা এই ব্যক্তিটিকে এই সিরিজে কিছু জায়গায় বেশ প্রেডিক্টেবল লেগেছে!
অবশ্য পরিচালককে একটা ব্যাপারে কিন্তু তারিফ করতেই হবে - ফেলুদাকে সেলফোনের যুগে এনে ফেলেও এতটুকু বেমানান করে দেখাননি কাহিনিটাকে, উপরন্তু স্মার্টফোনের এক বিশেষ বিরক্তিকর 'ওভারস্মার্ট' আচরণকে জুতসইভাবে ব্যবহার করে গল্পে বর্ণিত প্রযুক্তির মূখ্য এক ভূমিকার যুক্তিগ্রাহ্য আধুনিকিকরণ করেছেন যা দেখে রায়মশাই পর্যন্ত খুশি হতেন মনে হয়।
তারিফ পাওয়ার যোগ্য অবশ্য আরো তিন অভিনেতা। প্রথম দুজনের নাম হলো দেবপ্রিয় মুখার্জ্জী ও সৌরসেনী মৈত্র। দুজনেই এমন দুটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন, যে দুটি চরিত্র বইতে নেই, কিন্ত গল্পের খাতিরে এমনই বিশ্বাসযোগ্যভাবে অভিনয়টা করেছেন যে আমাকে বইটা খুলে নিশ্চিত হতে হয়েছে চরিত্রদুটির উপস্থিতি সম্পর্কে। কাহিনীতে নতুন চরিত্র ঢুকিয়েও তাকে নিপুণভাবে গল্পের মধ্যে মিশিয়ে দেওয়ার জন্য তাই পরিচালক ও এই দুই অভিনেতাদের প্রশংসা করতেই হবে। দেবপ্রিয় মুখার্জ্জী এক মরাঠি পুলিশ অফিসারের চরিত্রে যে সাবলীল অভিনয়টা করলেন, দেখে কে বলবে তিনি বাঙালি না মরাঠি? এদের বাদ দিয়ে তৃতীয় যে অভিনেতা পুরো সিরিজটা মাতিয়ে দিলেন, সেই রুদ্রনীল ঘোষ সেরা অভিনয়টা উপহার দিলেন নিশিকান্ত পাকড়াশির চরিত্রে। 'গ্যাংটকে গণ্ডগোল' যেহেতু 'সোনার কেল্লা'র ঠিক আগের উপন্যাস, তাই লালমোহনবাবু এতে নেই। সত্যজিতের ভাবনায় থাকা লালমোহনবাবুর কাছাকাছি চরিত্র এই নিশিকান্ত পাকড়াশির ভূমিকায় রুদ্রনীল মজাদার অথচ হালকা সন্দেহজনক এই চরিত্রটির মধ্য দিয়ে কৌতুকের দরকারটা মিটিয়ে দিয়েছেন। আবার সিধুজ্যেঠার চরিত্রে প্রবীণ অভিনেতা বিপ্লব চ্যাটার্জ্জীকেও বেশ মানিয়ে গেছে।
তাই রুদ্ধশ্বাসে পড়ে ফেলার মতো টানটান কাহিনি, 'গ্যাংটকে গণ্ডগোল'কে টেনে টেনে দশটা পর্বে দেখালেও বিশেষ কিছু চরিত্রের জন্য সিরিজটা দর্শকদের কাছে খানিকটা নতুনত্ব আনতে পারে।

Thursday, January 13, 2022

গোরা....কাণ্ড

বাঙালী দর্শকমাত্রেই গোয়েন্দা গল্পের পোকা! আর রহস্য রোমাঞ্চ ধারাবাহিক হলে তো কথাই নেই, টি আর পি এমনি এমনি বেড়ে যাবে। জানা কথা যে গল্পের শেষে গোয়েন্দা ঠিক অপরাধী ধরে ফেলবে। তবুও গোয়েন্দা গল্প এক অমোঘ আকর্ষণ বাঙালী দর্শকমাত্রে।  বলতে কি, অনেকটা এই কারণেই আমার গোরা দেখার সূত্রপাত। আরো একটা কারণ অবশ্য ছিল, তবে গৌণ - ঋত্বিক। এই ভদ্রলোকের অভিনয় আমার বেশ লাগে এবং গোয়েন্দা চরিত্রে তিনি কি করেন সেটা দেখার আলাদা করে বাসনা ছিল। এর আগে ব্যোমকেশের বন্ধু হিসেবে অজিতের চরিত্রে দেখেছি। এবার গোয়েন্দা হিসেবে কেমন দেখব ভাবছিলাম। তবে মুলতঃ গোয়েন্দা কাহিনীর টানেই কিন্তু সিরিজটা দেখতে শুরু করি।

কিন্তু প্রথম পর্বে দৃশ্যে পদার্পণ মাত্রেই এবং পর্বটা খতম হওয়ার আগেই আমার গৌণ উদ্দেশ্যটাই আসল হয়ে গেল এবং সিজনটি শেষ হবার আগেই ঋত্বিক চক্রবর্তী অভিনীত গোরা চরিত্রটি এতটাই আমার কাছে প্রাধাণ্য পেয়ে গেল যে, গল্পে যদি গরুকে গাছে চড়ানো দেখানোও হত, আমি তবুও বসে বসে তাই দেখতাম। এরকম স্বতঃস্ফূর্ত অভিনয় আমি শেষ কার থেকে কবে দেখেছি জানি না। বেসুরো গান পাগলা, সাঙ্ঘাতিক খ্যাপাটে, প্রচন্ড ভুলো, নাম পর্যন্ত মনে না রাখতে পারা, জগতের যাবতীয় স্বাভাবিকতা সম্বন্ধে উদাসীন, কিন্তু তীব্র নজর আর তীক্ষ্ণ বিশ্লেষণী শক্তির অধিকারী গোয়েন্দা চরিত্রে ঋত্বিক গোড়াতেই ফাটাফাটি। অবশ্য সত্যি করে বললে কিন্তু ফাটাফাটিটা আমি ঋত্বিককে বললাম না গোরা চরিত্রটাকে বললাম সেটা ঠিক বলতে পারবো না। কারণ গোরা চরিত্রটার মধ্যে ঋত্বিক এমন করে মিশে গেছেন যে আলাদা করতে অন্য গোয়েন্দা লাগবে! সত্যি বলছি গল্পটায় এমন কিছু নেই যাতে একে রুদ্ধশ্বাস প্লট বলা যায়, উপরন্তু বেশ কয়েকটি জায়গায় বালকসুলভ গণ্ডগোল আর অতি সরলীকরণ আছে যেটা গোয়েন্দা গল্পে বেশ দৃষ্টিকটু। কিন্তু তাও বলছি, পর্বগুলি ঋত্বিকের অভিনয় আর প্লটের স্বচ্ছন্দ গতির দৌলতে যেন এক টুকরো মুক্ত বাতাস উপহার দিয়েছে আমাদের। গোয়েন্দা গল্পে হাস্যরসের সঠিক মিশ্রণ আজকাল বেশি দেখতে পাওয়া যায় না। কোথাও অস্বাভাবিক রকমের অতিরিক্ত হয়ে যায় তো কোথাও একদমই অনুপস্থিত থাকে। এখানে মজা আছে তো বটেই, যেখানগুলো অতিরিক্ত হয়ে যেতে পারত সেই জায়গাগুলোতেও পরিচালনা ও অভিনয়ের অসামান্যতায় হয়ে উঠেছে স্বাভাবিক। মজার মোড়কে পরিবেশিত সাহানা দত্তের কাহিনীর রহস্য তার গাম্ভীর্য তো হারায়নি, বরং হয়ে উঠেছে প্রাণবন্ত ও সজীব। যেরকম তিনি দুটি গল্পকে মিশিয়ে ব্যোমকেশ সিরিজ তৈরি করেছিলেন, তেমনি সায়ন্তন ঘোষাল এখানেও দুটি গল্পকে একটি কাহিনীর মধ্যে নিয়ে এসেছেন। আবার গোরাকে প্রশাসন যদিও ধারাবাহিক খুন বিশেষজ্ঞ বলে অভিহিত করেছে, কিন্তু অন্যান্য অপরাধ সম্বন্ধেও গোরা সমান ওয়াকিবহাল। একারণে সে যদিও লেখকদের রহস্যময় খুনের তদন্তে সিরিয়াল কিলার ধরতে পুলিশকে সাহায্য করতে তৈরি, কিন্তু যখন এক গৃহবধূ তার স্লিপওয়াকিং নিয়ে এক অস্বাভাবিক ঘটনার উত্থাপন করে, সমস্যাটা তার কৌতুহল উদ্রেক করে। তবে এই কেসে সে অকুস্থলে যাওয়ার তাগিদ দেখায় না কিন্তু সমাধানের উপায় বাতলে দেয়। রহস্যে ভরা পরিবেশকে আরো চিত্তাকর্ষক করেছে অয়ন ভট্টাচার্য ও বিনীত রঞ্জন মৈত্রর ধ্বনির ও সুরের জমকালো ভারসাম্য। গোরার খামখেয়ালের সাথে তাল রেখে একাধারে তার বন্ধু, সহকারি আবার হবু ভগ্নীপতির চরিত্রে সুহোত্র মুখোপাধ্যায় অনবদ্য। বহুদিন বাদে গোয়েন্দা চরিত্রটির সাথে সমান তালে পাল্লা দেওয়া এক শাগরেদ চরিত্র পেলাম যে বন্ধুর পিছনে লাগা আর দরকার বা অদরকারে পাশে থাকতে সমান উৎসাহী। ঈশা সাহার চরিত্রটিতে চমকের একটা নতুনত্ব আছে তবে অভিনয়তে বিশেষ কিছু করার নেই। তবে পরবর্তী সিজনে যে তিনি বেশি কিছু করার সুযোগ পাবেন তার ইঙ্গিত যেমন আছে তেমনি সেখানে ঋত্বিকের পাশে দাপটের সাথে যে তিনি অভিনয় করবেন, তারও যথেষ্ট আভাস আছে।

তাই সময় নষ্ট না করে গায়কিতে ক্যাকোফনিক্স, দেমাকে পোয়ারো, রূপে অধিকাংশ ক্ষেত্রে পাগলা জগাই আর খামখেয়ালে একদম নিজস্ব, ভুলোমনা গোরার সিরিজটি দেখুন ও কিছুক্ষণের জন্য হারিয়ে যান বিচিত্র কিছু রহস্যের খাসমহলে!