কিন্তু তারপর কি হল দলটার?
বাকি প্রথমার্ধ তো স্কটল্যাণ্ডই রাজত্ব করল মাঠ জুড়ে।
কোথায় ব্রাজিল?
কি ডিফেন্সিভ লাগল দলটাকে!
যদি এই সময়ে জার্সি বদল করত দুই পক্ষ তো কে ব্রাজিল বোঝাটা হয়ত মুশকিলই ছিল দর্শকের কাছে!
খারাপ লাগছিল তাই স্কটল্যান্ডকে অতিরিক্ত সময়ে আরেকটা গোলে পিছিয়ে যেতে দেখে। এটা অনস্বীকার্য যে খেলার প্রথমার্ধে ব্রাজিলকে খুব একটা আক্রমণাত্মক লাগেনি। তার বদলে অ্যাংগাস গানের অতিরিক্ত সময়ের স্কটল্যাণ্ডের হয়ে গোল সেভটা মনটাকে যেন বেশি ভরিয়ে রাখল!
চেনা ছন্দটা অবশ্য ব্রাজিলের মধ্যে ফিরে পেলাম পরের দিকে। পুরনো আক্রমণাত্মক ভঙ্গীটা দ্বিতীয়ার্ধে দেখাল দলটা। পাওনা হল ব্রুনো গিমেরিশের অসাধারন অ্যাসিস্ট থেকে করা কুনহার গোল আর সাথে তিনটে অনবদ্য সেভ করে Alisson ভরসা জোগাল কিছুটা।
তবে এবার তো নক আউট স্টেজ, এবার ছোটোখাটো ভুল হলেও বিদায় নিতে হবে। আশাকরি আনচেলোত্তি বুঝেশুনেই স্ট্র্যাটেজি নেবে। হতেই পারে যে আস্তিনের তলায় আরো কিছু তাস আছে, ধীরে ধীরে বেরোবে।
ব্রাজিল নিজেদের গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন হয়ে পরের স্টেজে যাচ্ছে। তাই বিজয়ীদের মতই আচরণ দেখতে চাই তাদের থেকে। কারণ দলটা যে ব্রাজিল আর খেলাটা..... ফুটবল!
শুভেচ্ছা রইল।
No comments:
Post a Comment