ব্রাজিলের কথা বলছি।
এই যদি হাইতিকে নিয়ে হাল হয়, তো আরেকটু শক্তিধর বিপক্ষ হলে তো হয়ে গেল গল্প!
না না, খেলার স্কোর দেখে কিছু বোঝা যাবে না।
ব্রাজিল ৩ গোলে জিতেছে, বিপক্ষকে একটাও গোল করতে দেয়নি, এসব ভেবে লাভ নেই! দ্বিতীয়ার্ধের খেলাটা দেখে বেশ দুশ্চিন্তাই লাগছে দলটার জন্য।
আগের ম্যাচে মরক্কো তো দেখিয়ে দিয়েছে কি করে ব্রাজিলকে গোল দেওয়াও যায় আর খেলাটা ড্র রাখাও যায়। তার উপর রাফিনিয়ার চোট। নেইমারও চোটে বসে, লোকটার যতই মাঠে নেমে নাটক করার বদভ্যাস থাকুক না কেন, এমন মাপের skillful player কমই আছে। এই কারনেই দলটার চাপ আছে।
এই বিশ্বকাপে পর্তুগালকে আটকে দিয়েছে কঙ্গো, স্পেনের আক্রমণকে রুখে দিয়েছে কাবো ভার্দের মতো এক অনামি দেশ। এদের মতো দুর্ধর্ষ রক্ষণ তো হাইতির ছিল না, ব্রাজিল তবুও প্রায় কিছুই করতে পারেনি বলব।
ভিনিশিয়াস জুনিয়র একমাত্র, যে কিছু আক্রমণ শানাতে পারছিল left wing থেকে, ডানদিকটায় জাস্ট কোনো ধার নেই দলটার। তবে কুনহার গোলদুটো দেখে একটা আশার আলো দেখতে পাচ্ছি, এরকম সুযোগসন্ধানী কোনো ফিনিশার থাকলে, অন্তত পেনাল্টিবক্সে বল গেলে কিছু একটা হতে পারে! এরকম একজনের অভাব টের পাচ্ছিলাম ব্রাজিলের প্রথম ম্যাচটাতে! আজকে খানিকটা তবু শান্তি পেলাম কুনহার গোল করার ক্ষমতা দেখে। এরপর কাউকে পাওয়া না গেলে আবার ম্যাচ দেখতে আসা রোনাল্ডো আর রোনাল্ডিনহোকেই না মাঠে নামতে হয়! বিশ্বকাপ ফুটবলে ব্রাজিলের প্রথম অন্য দেশের কোচ, ইতালির কার্লো আনচেলোত্তি এরকম কিছু ভেবে বসলে খুব একটা অস্বাভাবিক কিছু লাগবে না মনে হয়। দলটার হাল ফেরাতে কিছু তো একটা করা দরকার তাড়াতাড়ি করে।
No comments:
Post a Comment