Showing posts with label Suhotro Mukhopadhyay. Show all posts
Showing posts with label Suhotro Mukhopadhyay. Show all posts

Wednesday, July 12, 2023

গোরা 2: জমে গেল too!

গোরাতে কিন্তু no গোলমাল! মানে গলদ আছে, তবে তা নিয়ে চাপ না নিলেই তো হোলো! এই বাজারে এমন পুরোদস্তুর অদ্ভুত কিন্তু প্রায় পুরোপুরি জমাটি সিরিজ তো বেশি দেখতে পাওয়া যায় না কোথাও! এক বিদঘুটে রকমের ভুলো ব্যক্তি, যে পারলে নিজের নামটাও ভুলে যায়, সে কিনা serial killer ধরার specialist? তার উপর আবার সাংঘাতিক বদমেজাজ। তার উপর আছে গানের বাতিক। যদিও সেই গানের তেজ stengun মনে পড়িয়ে দেবে! কিন্তু কি আর করবেন বলুন, লোকটা তো এইসবের মধ্যেও গুছিয়ে গোয়েন্দাগিরি করছে! তাই এই চমকে দেওয়া private defective মানুষটাকে দেখা must! লোকটা আপনাকে ঠিক টেনে আনবে অদ্ভুত কিছু রহস্যের মাঝে। শুরুতে মাথাটা বেশ করে গুলিয়ে দিলেও রহস্যের জট অবশেষে ঠিক যুক্তি দেখিয়ে খুলে দেবে।
গোলমাল অবশ্য এবার শুধুমাত্র এক রহস্যেতেই সীমাবদ্ধ নেই। গুরুতর আরেক গোলমাল গোরা নিজেই এবার বাধিয়েছে। তড়িঘড়ি গোরা চেয়েছে বিয়ে করে ফেলতে! তো পাত্রীও যে হাতের কাছে নেই তা নয়! কাছাকাছির মধ্যেই তো একজন আছে। গোরার বাড়িতে তার মায়ের চোখের ছানি কাটানোর পর রাতদিন থেকে যাওয়া আয়াটি তো সম্ভাব্য পাত্রীদের মধ্যে অন্যতমা! একহাতে গোরার মাকে সেবাযত্ন করতে করতে যে গোরাকেও টাইট দিতে পারে, তাকে কি করে গোরার থেকে কোনো অংশে কম বলব?
আবার গোরার যে নতুন মক্কেলটি, তাকেও প্রার্থী হিসেবে ভাবাই যায়! তো গোরা কি করবে? বিয়ে না রহস্যভেদ! তবে গোরা যা খুশি করুক, আপনি কিন্তু দেখে ফেলুন এমন তালে তাল মেলানো সাবলীল অভিনয়ের এক অসামান্য সিরিজ। সত্যি বলছি, সিরিজটা দেখতে দেখতে মনে হতেই পারে, কাহিনী, প্লট, এসবের কি দরকার, যেখানে অভিনয়টাই আসল! কি ঋত্বিক চক্রবর্তী, কি সুহোত্র মুখোপাধ্যায়, কাকে ছেড়ে যে কাকে দেখব! অনবদ্য এই দুজনের তালে তাল মিলিয়ে আছে মানালি মনীষা দে, মৃদু অথচ দরকারমতো হালকা রসিকতা সরবরাহ করতে দক্ষ অভিজিত গুহ, চাপা কান্নার সাথে মাপমতো হাসি নিয়ে উষসী রায়ের ছোটো কিন্তু মজার মাঝেও লক্ষে অবিচল থাকা অনমনীয় চরিত্র।
তবে সিরিজটা দেখে যে এত আনন্দ পেলাম তার মূল কারণ বোধহয় আরো গভীরে। রহস্যের মোদ্দা ব্যাপারটা বালকসুলভ হলেও ও পরের দিকে গতি খানিকটা থমকালেও, সাহানা দত্তের মুচমুচে স্ক্রিপ্ট ও রবিরঞ্জন মৈত্রের ঝোড়ো সম্পাদনা মাতিয়ে দিয়েছে। জয়দীপ মুখার্জ্জীর পরিচালিত সিরিজটিতে তাই রহস্যের চাপটা না নিয়ে উপভোগ করতে পারলে প্রাণবন্ত অভিনয় দেখার সহজাত রেশটা মনকে খানিকক্ষণের জন্য হলেও চাপমুক্ত করে রাখবে।

Saturday, March 4, 2023

'ডাকঘর' একঘর

গ্রাম: হাগদা

পোস্টমাস্টার: দামোদর দাস

গুজব: ডাকঘরটি ভূতুড়ে

বিশেষ দ্রষ্টব্য: বাথরুমে সাপ, পোস্টবাক্সে পাখির বাসা আর গাছের তলায় মোবাইলের সিগন্যাল!

তো এরকম উদ্ভট পরিস্থিতি যেখানে সেখানে মৃত পোস্টমাস্টারের জায়গায় তার ছেলে চাকরিতে বহাল হলে, গ্রামের বাইরে থেকে আসা অচেনা যুবকটিকে সহজ সরল লোকজনেরা যে ভূতের ছানা জাতীয় সম্বোধন করে আপন করে নিতে চাইবে, এটা আর কি এমন বড় ব্যাপার হল? এসব ব্যাপারে মাথা ঘামালে কি দামোদর এক বছর ধরে জমা থাকা চিঠিগুলো বিলি করতে পারবে? নাকি পারবে তার বড়বেলার কষ্টটাকে ভুলে ফেলতে? সে কি শুধু এখানে চাকরি করতেই এসেছে? নাকি এসেছে হারানো কিছু ফিরে পাওয়ার অদম্য তাড়নায়!জানতে হলে তো উপায় একটাই, হইচই খুলে বসে পড়ুন এখনই ও গা ভাসান সিরিজটির সাত পর্বের সাতরঙা আবেগের জোয়ারে। জানলার আটকে থাকা পাল্লা খুলে হাতে চলে আসুক, কোয়ার্টারে মানুষ থাকবে না ছাগলের জন্য রাখা হবে - তাই নিয়ে চলুক তর্ক, সম্বর্ধনার চেয়ার ভেঙে পড়ুক সম্বর্ধিত ব্যক্তিসমেত হুড়মুড়িয়ে, যমজ ভাই সরকারি চাকরি করুক অন্য ভাইয়ের নামে প্রক্সি দিয়ে, যা খুশি হোক, আপনি শুধু তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করুন মুহুর্তগুলো গুছিয়ে!

পদ্মনাভ দাশগুপ্তের কলমে ও সুহোত্র মুখোপাধ্যায়ের অভিনয়ের জাদুতে পুষ্ট এই কাহিনী দেখে কোন দর্শক বলে দেখি যে বাঙলা ধারাবাহিক জাতে ওঠে নি?

অবশ্য, আমি বলেছিলাম প্রথমদিকটা দেখে এবং পুরোটা দেখে কথাটা পাল্টে ফেলে বলছি যে এরকম সিরিজ আরো হোক। কিছু অতি সরলীকরণের জায়গাগুলো অন্যভাবে চিন্তা করে যদি আরো বাস্তবসম্মতভাবে পরিবেশন করা হয় তবে এই সিরিজগুলি হয়ে উঠবে আরো পরিণত এবং এরকম সাধারন ঘটনা দিয়ে গড়া গল্প যত বেশি করে শুধু চিন্তাভাবনা ও পরিবেশনের গুণে অসাধারন হয়ে উঠবে, তবেই, আমার ধারনা, বাঙলা সিরিজ বিশ্বজনীন হয়ে উঠবে।

সিরিজটির পরিচালক হিসেবে কাকে ধন্যবাদ জানাবো ঠিক বুঝতে পারছি না, পড়েছি যে কিছু জটিলতা আছে। তবে অভিষেক সাহা ও অভ্রজিৎ সেন - দুজনের থেকেই এমন আরো অনেক ধারাবাহিকের প্রত্যাশা রইল। এরপর আসি চিত্রগ্রহণে, সেটাও অনবদ্য আর সেখানেও জটিলতা। তাই মৃন্ময় নন্দী ও শান, দুজনকেই ধন্যবাদ জানালাম।

Sunday, January 29, 2023

করবে কাবু একেনবাবু!

একেনবাবু কলকাতায় এলেন.... অপরাধ দেখলেন..... সমস্যার সাথে সাথে দর্শকদের মনও প্রায় জয় করে ফেলেছিলেন, কিন্তু বাদ সাধল শেষটুকু! অবশ্য এরকম কর বলাটা হয়তো ঠিক হচ্ছে না, অভিযোগটা হতেই পারে একান্তই আমার ব্যক্তিগত মত। তাই আগে বরং বলে নেওয়া যাক মনকাড়া প্রসঙ্গগুলোর সম্বন্ধে।

প্রথমেই প্রশংসা করতে হয় গল্পগুলোকে সমস্ত বয়সের উপযোগী করে তোলার প্রয়াসটাকে। যেখানে বহু সিরিজ ওটিটির সেন্সরশিপের বাইরে থাকার সুবিধাটাকে হাতিয়ার করে অকারণ অকথ্য ভাষা ও কয়েকটি অস্বাভাবিক রুচির দৃশ্য ঢুকিয়ে বেকার সীমিত সংখ্যক লোকজনের দেখার জন্য পরিবেশন করছে, সেখানে প্রাপ্তবয়স্ক প্রসঙ্গের সম্ভাবনা দেখলেই তাকে সুচারুরূপে সমস্ত বয়সের উপযোগী করে পরিবেশন করার সাহসী এবং সংযমী প্রয়াসকে সেলাম। প্রতি কাহিনীতে ধারাবাহিকভবে ব্যাপারটাকে ধরে রাখার চেষ্টা অবশ্যই প্রশংসার যোগ্য।

এরপর অভিনয়। এতদিনে অনির্বাণ চক্রবর্তী তো একেনবাবুর সাথে প্রায় সমার্থক হয়ে গেছেনই রুপোলী পর্দায়, কিন্তু এবার, সুহোত্র মুখোপাধ্যায় ও সোমক ঘোষ যথাক্রমে বাপীবাবু ও প্রমথবাবু চরিত্রদুটিকে আরো স্বাভাবিক ও প্রাণবন্ত করে ফুটিয়ে তুলে চক্কোত্তিবাবুকে ছাপিয়ে গেছেন! সুহোত্র ও সোমক একেনবাবু সিরিজে প্রথমবার আত্মপ্রকাশ করে জমিয়ে যুগলবন্দী পরিবেশন করলেন। চরিত্রদুটিতে অভিনয় করা পূর্বতন অভিনেতাদের ছোটোপর্দায় অভিনয়কে ছোটো না করেও বলছি, নতুন এই জুটি সত্যিই অনবদ্য! অবশ্য বড়পর্দায় একেনবাবু ছবিতে এই দুজন আগে এই চরিত্রদুটি করে তারপর সিরিজে অবতীর্ণ হয়েছেন। তাই যেন সিরিজে দুজনে এত সাবলীল, এত মজাদার! তার সাথে শুভ্রজিৎ দত্ত ও বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী দুটি ছোটো অথচ গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে জমিয়ে দিয়েছেন। চরিত্রদুটি ছোটো দৈর্ঘ্যের হলেও, মূল রহস্যের গাম্ভীর্যকে এতটুকু না কমিয়েও হাসিঠাট্টা মেশানো কিছু টাটকা মুহুর্ত উপহার দিয়েছেন। তার সাথে আছেন লোকনাথ দে। ভদ্রলোককে 'মন্দার' থেকে দেখছি যে পর্দায় উপস্থিতির প্রতিটি ক্ষণকে কি এক জাদুতে অসামান্য করে তোলেন, শুধুমাত্র অভিব্যক্তি দিয়ে।

কিন্তু এত করেও সমস্যাটা তাহলে কি হল? সমস্যাটা দেখতে পেলাম গোয়েন্দার সত্ত্বাতে। অপরাধীকে ধরতে গোয়েন্দাকে হতেই হবে কঠিন, প্রয়োজনে রূঢ়, কিন্তু অপরাধীর অসহায়তাকে কি করে অস্বীকার করবে? কি করে অপরাধীকে ধরিয়ে দেওয়ার পরেও অসহায়তাকে নিয়ে খরচ করবে না কোনো মুহুর্ত। কাহিনীকার কি লিখে গেছেন জানি না, তবে পরিচালক হিসেবে জয়দীপ মুখার্জ্জীবাবু ভেবে দেখতে পারেন। না হলে ব্যোমকেশ, ফেলুদা, কিরীটি তো কোন ছাড়্, গোয়েন্দা অর্জুনও অনেকটা এগিয়ে থাকবে। উচ্চমানের সত্যসন্ধানী উচ্চ মনের অধিকারী হলে তবেই হৃদয়ে থেকে যাবে।

Thursday, January 13, 2022

গোরা....কাণ্ড

বাঙালী দর্শকমাত্রেই গোয়েন্দা গল্পের পোকা! আর রহস্য রোমাঞ্চ ধারাবাহিক হলে তো কথাই নেই, টি আর পি এমনি এমনি বেড়ে যাবে। জানা কথা যে গল্পের শেষে গোয়েন্দা ঠিক অপরাধী ধরে ফেলবে। তবুও গোয়েন্দা গল্প এক অমোঘ আকর্ষণ বাঙালী দর্শকমাত্রে।  বলতে কি, অনেকটা এই কারণেই আমার গোরা দেখার সূত্রপাত। আরো একটা কারণ অবশ্য ছিল, তবে গৌণ - ঋত্বিক। এই ভদ্রলোকের অভিনয় আমার বেশ লাগে এবং গোয়েন্দা চরিত্রে তিনি কি করেন সেটা দেখার আলাদা করে বাসনা ছিল। এর আগে ব্যোমকেশের বন্ধু হিসেবে অজিতের চরিত্রে দেখেছি। এবার গোয়েন্দা হিসেবে কেমন দেখব ভাবছিলাম। তবে মুলতঃ গোয়েন্দা কাহিনীর টানেই কিন্তু সিরিজটা দেখতে শুরু করি।

কিন্তু প্রথম পর্বে দৃশ্যে পদার্পণ মাত্রেই এবং পর্বটা খতম হওয়ার আগেই আমার গৌণ উদ্দেশ্যটাই আসল হয়ে গেল এবং সিজনটি শেষ হবার আগেই ঋত্বিক চক্রবর্তী অভিনীত গোরা চরিত্রটি এতটাই আমার কাছে প্রাধাণ্য পেয়ে গেল যে, গল্পে যদি গরুকে গাছে চড়ানো দেখানোও হত, আমি তবুও বসে বসে তাই দেখতাম। এরকম স্বতঃস্ফূর্ত অভিনয় আমি শেষ কার থেকে কবে দেখেছি জানি না। বেসুরো গান পাগলা, সাঙ্ঘাতিক খ্যাপাটে, প্রচন্ড ভুলো, নাম পর্যন্ত মনে না রাখতে পারা, জগতের যাবতীয় স্বাভাবিকতা সম্বন্ধে উদাসীন, কিন্তু তীব্র নজর আর তীক্ষ্ণ বিশ্লেষণী শক্তির অধিকারী গোয়েন্দা চরিত্রে ঋত্বিক গোড়াতেই ফাটাফাটি। অবশ্য সত্যি করে বললে কিন্তু ফাটাফাটিটা আমি ঋত্বিককে বললাম না গোরা চরিত্রটাকে বললাম সেটা ঠিক বলতে পারবো না। কারণ গোরা চরিত্রটার মধ্যে ঋত্বিক এমন করে মিশে গেছেন যে আলাদা করতে অন্য গোয়েন্দা লাগবে! সত্যি বলছি গল্পটায় এমন কিছু নেই যাতে একে রুদ্ধশ্বাস প্লট বলা যায়, উপরন্তু বেশ কয়েকটি জায়গায় বালকসুলভ গণ্ডগোল আর অতি সরলীকরণ আছে যেটা গোয়েন্দা গল্পে বেশ দৃষ্টিকটু। কিন্তু তাও বলছি, পর্বগুলি ঋত্বিকের অভিনয় আর প্লটের স্বচ্ছন্দ গতির দৌলতে যেন এক টুকরো মুক্ত বাতাস উপহার দিয়েছে আমাদের। গোয়েন্দা গল্পে হাস্যরসের সঠিক মিশ্রণ আজকাল বেশি দেখতে পাওয়া যায় না। কোথাও অস্বাভাবিক রকমের অতিরিক্ত হয়ে যায় তো কোথাও একদমই অনুপস্থিত থাকে। এখানে মজা আছে তো বটেই, যেখানগুলো অতিরিক্ত হয়ে যেতে পারত সেই জায়গাগুলোতেও পরিচালনা ও অভিনয়ের অসামান্যতায় হয়ে উঠেছে স্বাভাবিক। মজার মোড়কে পরিবেশিত সাহানা দত্তের কাহিনীর রহস্য তার গাম্ভীর্য তো হারায়নি, বরং হয়ে উঠেছে প্রাণবন্ত ও সজীব। যেরকম তিনি দুটি গল্পকে মিশিয়ে ব্যোমকেশ সিরিজ তৈরি করেছিলেন, তেমনি সায়ন্তন ঘোষাল এখানেও দুটি গল্পকে একটি কাহিনীর মধ্যে নিয়ে এসেছেন। আবার গোরাকে প্রশাসন যদিও ধারাবাহিক খুন বিশেষজ্ঞ বলে অভিহিত করেছে, কিন্তু অন্যান্য অপরাধ সম্বন্ধেও গোরা সমান ওয়াকিবহাল। একারণে সে যদিও লেখকদের রহস্যময় খুনের তদন্তে সিরিয়াল কিলার ধরতে পুলিশকে সাহায্য করতে তৈরি, কিন্তু যখন এক গৃহবধূ তার স্লিপওয়াকিং নিয়ে এক অস্বাভাবিক ঘটনার উত্থাপন করে, সমস্যাটা তার কৌতুহল উদ্রেক করে। তবে এই কেসে সে অকুস্থলে যাওয়ার তাগিদ দেখায় না কিন্তু সমাধানের উপায় বাতলে দেয়। রহস্যে ভরা পরিবেশকে আরো চিত্তাকর্ষক করেছে অয়ন ভট্টাচার্য ও বিনীত রঞ্জন মৈত্রর ধ্বনির ও সুরের জমকালো ভারসাম্য। গোরার খামখেয়ালের সাথে তাল রেখে একাধারে তার বন্ধু, সহকারি আবার হবু ভগ্নীপতির চরিত্রে সুহোত্র মুখোপাধ্যায় অনবদ্য। বহুদিন বাদে গোয়েন্দা চরিত্রটির সাথে সমান তালে পাল্লা দেওয়া এক শাগরেদ চরিত্র পেলাম যে বন্ধুর পিছনে লাগা আর দরকার বা অদরকারে পাশে থাকতে সমান উৎসাহী। ঈশা সাহার চরিত্রটিতে চমকের একটা নতুনত্ব আছে তবে অভিনয়তে বিশেষ কিছু করার নেই। তবে পরবর্তী সিজনে যে তিনি বেশি কিছু করার সুযোগ পাবেন তার ইঙ্গিত যেমন আছে তেমনি সেখানে ঋত্বিকের পাশে দাপটের সাথে যে তিনি অভিনয় করবেন, তারও যথেষ্ট আভাস আছে।

তাই সময় নষ্ট না করে গায়কিতে ক্যাকোফনিক্স, দেমাকে পোয়ারো, রূপে অধিকাংশ ক্ষেত্রে পাগলা জগাই আর খামখেয়ালে একদম নিজস্ব, ভুলোমনা গোরার সিরিজটি দেখুন ও কিছুক্ষণের জন্য হারিয়ে যান বিচিত্র কিছু রহস্যের খাসমহলে!